চুয়াডাঙ্গা ১১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গায় ট্যাপেন্টাডলসহ পরোয়ানাভুক্ত ৪ আসামি গ্রেফতার

  • প্রকাশ: ০৩:০৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • 31

আলমডাঙ্গা অফিস| রানা আফান্দী:

আলমডাঙ্গা উপজেলায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান ও পরোয়ানাভুক্ত চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক দুই মাদক কারবারিকে সামারি ট্রায়ালে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে পৃথক অভিযানে একটি মাদক মামলার আসামি ও এক গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন , আনন্দধাম এলাকার খোকন অধিকারের ছেলে হৃদয় (২১) , বকশীপুর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে বিপ্লব (২২) , ওসমানপুর হঠাৎপাড়া গ্রামের হবিবর শেখ ওরফে হবির ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম (৩০) এবং ফুলবগাদী গ্রামের বখতিয়ার হোসেনের ছেলে মো. জুয়েল হোসেন (২৪)।

পুলিশ জানায় , আলমডাঙ্গা থানার এসআই আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে বকশীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাকিলের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় হৃদয় ও বিপ্লবকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন , ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। শুক্রবার চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট , প্রথম আদালতে হাজির করা হলে সামারি ট্রায়ালে প্রত্যেককে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড , এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

এদিকে একই দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযান ও গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যক্রমে তরিকুল ইসলাম ও জুয়েল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তরিকুল ইসলাম একটি মাদক মামলার আসামি এবং জুয়েল হোসেন আদালতের জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন , উপজেলাজুড়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মাদক কারবার , বহন , সংরক্ষণ ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইনের আওতার বাইরে কাউকেই রাখা হবে না।

Tag :
জনপ্রিয়

জীবননগরের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত আলামীনকে দেখতে গেলেন শাহজাহান মিয়া

আলমডাঙ্গায় ট্যাপেন্টাডলসহ পরোয়ানাভুক্ত ৪ আসামি গ্রেফতার

প্রকাশ: ০৩:০৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

আলমডাঙ্গা অফিস| রানা আফান্দী:

আলমডাঙ্গা উপজেলায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান ও পরোয়ানাভুক্ত চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক দুই মাদক কারবারিকে সামারি ট্রায়ালে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে পৃথক অভিযানে একটি মাদক মামলার আসামি ও এক গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন , আনন্দধাম এলাকার খোকন অধিকারের ছেলে হৃদয় (২১) , বকশীপুর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে বিপ্লব (২২) , ওসমানপুর হঠাৎপাড়া গ্রামের হবিবর শেখ ওরফে হবির ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম (৩০) এবং ফুলবগাদী গ্রামের বখতিয়ার হোসেনের ছেলে মো. জুয়েল হোসেন (২৪)।

পুলিশ জানায় , আলমডাঙ্গা থানার এসআই আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে বকশীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাকিলের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় হৃদয় ও বিপ্লবকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন , ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। শুক্রবার চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট , প্রথম আদালতে হাজির করা হলে সামারি ট্রায়ালে প্রত্যেককে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড , এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

এদিকে একই দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযান ও গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যক্রমে তরিকুল ইসলাম ও জুয়েল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তরিকুল ইসলাম একটি মাদক মামলার আসামি এবং জুয়েল হোসেন আদালতের জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন , উপজেলাজুড়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মাদক কারবার , বহন , সংরক্ষণ ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইনের আওতার বাইরে কাউকেই রাখা হবে না।