চুয়াডাঙ্গা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে ‘খান একাডেমি বাংলাদেশ’, গণিত শিক্ষায় নতুন উদ্যোগ

  • প্রকাশ: ১০:২৭:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • 77

সংগৃহীত ছবি

দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ে গণিত শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ৭টি জেলার ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে খান একাডেমি বাংলাদেশ কার্যক্রম চালুর অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

সম্প্রতি মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন উইং থেকে জারি করা এক স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সাজেদা ফাউন্ডেশনের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এ কর্মসূচি ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে।

প্রথম ধাপে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও পঞ্চগড় জেলার নির্বাচিত ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সাজেদা ফাউন্ডেশনের আবেদনের ভিত্তিতে মাউশি প্রকল্পটির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে মাউশি। এর মধ্যে রয়েছে—জাতীয় ও ধর্মীয় চেতনার পরিপন্থী কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না, শ্রেণিকক্ষের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত করা যাবে না এবং জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সহায়তায় বিদ্যালয় নির্বাচন করে চূড়ান্ত তালিকার জন্য মাউশির অনুমোদন নিতে হবে।

এ ছাড়া প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি প্রতিবেদন এবং প্রকল্প শেষে বার্ষিক প্রতিবেদন মাউশিতে জমা দিতে হবে। সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। প্রয়োজনে যেকোনো সময় এই কার্যক্রম বাতিল করার ক্ষমতাও সংরক্ষণ করেছে মাউশি।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষকদের আধুনিক পাঠদান পদ্ধতিতে প্রশিক্ষিত করার সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

জনপ্রিয়

ঝিনাইদহের সাহসী সাংবাদিক শারমিন আরা: সত্য ও ন্যায়ের পথে আপোষহীন এক কণ্ঠ

১০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে ‘খান একাডেমি বাংলাদেশ’, গণিত শিক্ষায় নতুন উদ্যোগ

প্রকাশ: ১০:২৭:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ে গণিত শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ৭টি জেলার ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে খান একাডেমি বাংলাদেশ কার্যক্রম চালুর অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

সম্প্রতি মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন উইং থেকে জারি করা এক স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সাজেদা ফাউন্ডেশনের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এ কর্মসূচি ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে।

প্রথম ধাপে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও পঞ্চগড় জেলার নির্বাচিত ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সাজেদা ফাউন্ডেশনের আবেদনের ভিত্তিতে মাউশি প্রকল্পটির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে মাউশি। এর মধ্যে রয়েছে—জাতীয় ও ধর্মীয় চেতনার পরিপন্থী কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না, শ্রেণিকক্ষের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত করা যাবে না এবং জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সহায়তায় বিদ্যালয় নির্বাচন করে চূড়ান্ত তালিকার জন্য মাউশির অনুমোদন নিতে হবে।

এ ছাড়া প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি প্রতিবেদন এবং প্রকল্প শেষে বার্ষিক প্রতিবেদন মাউশিতে জমা দিতে হবে। সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। প্রয়োজনে যেকোনো সময় এই কার্যক্রম বাতিল করার ক্ষমতাও সংরক্ষণ করেছে মাউশি।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষকদের আধুনিক পাঠদান পদ্ধতিতে প্রশিক্ষিত করার সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।