দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার বিকেলে তিনি নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।”
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরপরই জাতীয় সংসদে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। শুক্রবার বিকেল ৫টায় সংসদের শপথ কক্ষে অনুষ্ঠিতব্য এ সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ এবং পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলে সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যেই চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দুপুরে দেশে ফেরেন স্পিকার। যদিও তাঁর ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা ছিল, সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনুরোধে নির্ধারিত সময়ের আগেই তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন।
দেশে ফিরে স্পিকার জানান, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তাঁর স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয়। এরপর ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে। তিনি আরও বলেন, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত সংবিধানের বিধান অনুযায়ী স্পিকারই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পদ্ধতি এবং ৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর এখন দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।





















