রিপোর্ট ,আলমডাঙ্গা অফিস| রানা আফান্দী:
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর গ্রামের কৃতী সন্তান অ্যাডভোকেট মাজেদুর রহমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এ আইন কর্মকর্তার পদে তাঁর নিয়োগে পরিবার , সহপাঠী , শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাষ্ট্রপতির নির্দেশক্রমে আইন , বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী , বাংলাদেশ ল অফিসার্স অর্ডার , ১৯৭২-এর বিধান অনুসারে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করবেন। একই প্রজ্ঞাপনে ৮৬ জনকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জনকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে অ্যাডভোকেট মাজেদুর রহমান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগে সরকারের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা করবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় আইনি বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা প্রদান করবেন।
জানা গেছে , অ্যাডভোকেট মাজেদুর রহমান আলমডাঙ্গা কালিদাসপুর গ্রামের প্রয়াত মতিয়ার রহমান মালিথার ছেলে। তিনি ১৯৮৭ সালে এসএসসি এবং ১৯৮৯ সালে এইচএসসি পাস করেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৭ সালে আইন পেশায় যোগ দিয়ে প্রায় তিন দশক ধরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সুনামের সঙ্গে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ব্যক্তিজীবনে তাঁর স্ত্রী অ্যাডভোকেট নাজমুন নাহারও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। তাঁদের দুই সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে ফাইজা ফাতিমা যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার সায়েন্স ও সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে অধ্যয়ন করছেন। ছেলে ফাহিম ফয়সাল ঢাকার স্কলার্সটিকা স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এদিকে এসএসসি-৮৭ ব্যাচের সংগঠন ব্লুজম গার্ডেন এর সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবু খয়ের এক অভিনন্দন বার্তায় বলেন , মাজেদুর রহমানের এ নিয়োগ আলমডাঙ্গাবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। আমরা বিশ্বাস করি , তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা , সততা ও পেশাগত দক্ষতা রাষ্ট্রের আইনি সেবাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
স্থানীয় বাসিন্দারাও তাঁর এ নিয়োগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে , আলমডাঙ্গার একজন কৃতী আইনজীবীর রাষ্ট্রের এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পাওয়া গোটা উপজেলার জন্য গৌরবের। নতুন দায়িত্বে তিনি দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে রাষ্ট্রের আইনি সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন গ্রামবাসীরা।









