চুয়াডাঙ্গা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দরপতনের পর ঘুরে দাঁড়াল সোনা, বিশ্ববাজারে রুপার দামও ঊর্ধ্বমুখী

  • প্রকাশ: ১০:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • 56

আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দরপতনের পর আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে সোনার দাম। দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২১ দশমিক ৩৮ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে আগস্টে সরবরাহের চুক্তিভিত্তিক (গোল্ড ফিউচার্স) সোনার দামও শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ২৯ দশমিক ২০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলারের সূচক শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে যাওয়ায় সোনার দাম কিছুটা বেড়েছে। ডলারের দর কমলে অন্যান্য দেশের ক্রেতাদের জন্য সোনা তুলনামূলক সাশ্রয়ী হয়ে ওঠে, ফলে চাহিদা বাড়ে।

তবে বাজারের মূল নজর এখন যুক্তরাষ্ট্রের জুন মাসের মূল্যস্ফীতির (সিপিআই) তথ্য এবং ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যানের বক্তব্যের দিকে। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হলে ফেড আবারও সুদের হার বাড়াতে পারে। এতে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে, যা বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে।

দেশীয় বাজারেও সোনার দাম উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে রুপা ও প্যালাডিয়ামের দাম বেড়েছে, তবে প্লাটিনামের দামে সামান্য পতন দেখা গেছে।

জনপ্রিয়

বোরহানউদ্দিনে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

দরপতনের পর ঘুরে দাঁড়াল সোনা, বিশ্ববাজারে রুপার দামও ঊর্ধ্বমুখী

প্রকাশ: ১০:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দরপতনের পর আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে সোনার দাম। দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২১ দশমিক ৩৮ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে আগস্টে সরবরাহের চুক্তিভিত্তিক (গোল্ড ফিউচার্স) সোনার দামও শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ২৯ দশমিক ২০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলারের সূচক শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে যাওয়ায় সোনার দাম কিছুটা বেড়েছে। ডলারের দর কমলে অন্যান্য দেশের ক্রেতাদের জন্য সোনা তুলনামূলক সাশ্রয়ী হয়ে ওঠে, ফলে চাহিদা বাড়ে।

তবে বাজারের মূল নজর এখন যুক্তরাষ্ট্রের জুন মাসের মূল্যস্ফীতির (সিপিআই) তথ্য এবং ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যানের বক্তব্যের দিকে। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হলে ফেড আবারও সুদের হার বাড়াতে পারে। এতে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে, যা বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে।

দেশীয় বাজারেও সোনার দাম উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে রুপা ও প্যালাডিয়ামের দাম বেড়েছে, তবে প্লাটিনামের দামে সামান্য পতন দেখা গেছে।