চুয়াডাঙ্গা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মূলধন ২ হাজার কোটির কম হলে লভ্যাংশ দিতে পারবে না কোনো ব্যাংক

  • প্রকাশ: ১০:৩৫:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • 120

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণা ও বিতরণের বিষয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বেশ কঠিন শর্ত দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই শর্তের কারণে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ ব্যাংক মুনাফা করতে পারলেও শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না।

শনিবার (২৩ মে) জারিকৃত ওই সার্কুলার অনুযায়ী, যেসব ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২,০০০ কোটি টাকার কম, তারা শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো ধরনের নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না। এছাড়া, যেসব ব্যাংক সব ধরনের সংবিধিবদ্ধ বা আইনি শর্ত পূরণ করে মুনাফা বিতরণের যোগ্যতা অর্জন করবে, তারা তাদের মোট ঘোষিত লভ্যাংশের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ নগদে পরিশোধ করতে পারবে।

এই নতুন নিয়মাবলী ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ ঘোষণা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী বছরগুলোতেও তা একইভাবে প্রযোজ্য থাকবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে লভ্যাংশ বিতরণে কঠোর সর্বোচ্চ সীমা (ক্যাপ) আরোপ করা হলেও, পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট সার্কুলারগুলোর অন্যান্য সমস্ত বিদ্যমান নির্দেশনা—যার মধ্যে ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার নম্বর ০১-ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—তা পুরোপুরি বহাল ও কার্যকর থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চলমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতের মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।

 

জনপ্রিয়

বোরহানউদ্দিনে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

মূলধন ২ হাজার কোটির কম হলে লভ্যাংশ দিতে পারবে না কোনো ব্যাংক

প্রকাশ: ১০:৩৫:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণা ও বিতরণের বিষয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বেশ কঠিন শর্ত দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই শর্তের কারণে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ ব্যাংক মুনাফা করতে পারলেও শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না।

শনিবার (২৩ মে) জারিকৃত ওই সার্কুলার অনুযায়ী, যেসব ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২,০০০ কোটি টাকার কম, তারা শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো ধরনের নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না। এছাড়া, যেসব ব্যাংক সব ধরনের সংবিধিবদ্ধ বা আইনি শর্ত পূরণ করে মুনাফা বিতরণের যোগ্যতা অর্জন করবে, তারা তাদের মোট ঘোষিত লভ্যাংশের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ নগদে পরিশোধ করতে পারবে।

এই নতুন নিয়মাবলী ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ ঘোষণা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী বছরগুলোতেও তা একইভাবে প্রযোজ্য থাকবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে লভ্যাংশ বিতরণে কঠোর সর্বোচ্চ সীমা (ক্যাপ) আরোপ করা হলেও, পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট সার্কুলারগুলোর অন্যান্য সমস্ত বিদ্যমান নির্দেশনা—যার মধ্যে ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার নম্বর ০১-ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—তা পুরোপুরি বহাল ও কার্যকর থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চলমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতের মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।