চুয়াডাঙ্গা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গায় প্রবাসী জামাতার বাড়িঘর এক্সকাভেটরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ দ্বিতীয় স্ত্রীকে ফেলে প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে বিদেশপাড়ি, ক্ষোভে জামাতার ভিটা গুঁড়িয়ে দিলেন শ্বশুর

  • প্রকাশ: ০৬:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • 30

রিপোর্ট ,আলমডাঙ্গা অফিস| রানা আফান্দী:

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় পারিবারিক বিরোধ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবার ও শ্বশুরপক্ষের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়াপ্রবাসী জামাইয়ের বসতবাড়ি এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে প্রকাশ্যে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল (রোববার) , সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দিনের আলোয় বসতবাড়ি ভাঙার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয়রা সূত্রে জানা গেছে , উপজেলার খেজুরতলা গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী রফিউদ্দিন প্রথমে একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে ছনিয়া খাতুনকে বিয়ে করেন। পরে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর প্রবাসী রফিউদ্দিন একই গ্রামের মুকুল হোসেনের মেয়ে রিমা খাতুনকে বিয়ে করেন। পরে তিনি গোপনে আবার প্রথম স্ত্রীকে বিয়ে করে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়ায় চলে যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চরমে ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে , সেই বিরোধের জেরেই শ্বশুরপক্ষ রোববার সকালে একটি এক্সকাভেটর এনে রফিউদ্দিনের বসতবাড়ির দেয়াল, কক্ষ ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে ফেলে। বাড়ি ভাঙার সময় স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে ভাঙচুরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।

বিদেশে অবস্থানরত রফিউদ্দিন দাবি করেন , পরিকল্পিতভাবে তাঁর বাড়ি ভেঙে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত মুকুল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানি ইসরাইল বলেন , ঘটনার বিষয়ে পুলিশ অবগত রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও নতুন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।

Tag :
জনপ্রিয়

দুই কেজি গাঁজাসহ জীবননগরের নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার, মোটরসাইকেল চালক পলাতক

আলমডাঙ্গায় প্রবাসী জামাতার বাড়িঘর এক্সকাভেটরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ দ্বিতীয় স্ত্রীকে ফেলে প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে বিদেশপাড়ি, ক্ষোভে জামাতার ভিটা গুঁড়িয়ে দিলেন শ্বশুর

প্রকাশ: ০৬:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

রিপোর্ট ,আলমডাঙ্গা অফিস| রানা আফান্দী:

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় পারিবারিক বিরোধ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবার ও শ্বশুরপক্ষের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়াপ্রবাসী জামাইয়ের বসতবাড়ি এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে প্রকাশ্যে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল (রোববার) , সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দিনের আলোয় বসতবাড়ি ভাঙার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয়রা সূত্রে জানা গেছে , উপজেলার খেজুরতলা গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী রফিউদ্দিন প্রথমে একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে ছনিয়া খাতুনকে বিয়ে করেন। পরে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর প্রবাসী রফিউদ্দিন একই গ্রামের মুকুল হোসেনের মেয়ে রিমা খাতুনকে বিয়ে করেন। পরে তিনি গোপনে আবার প্রথম স্ত্রীকে বিয়ে করে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়ায় চলে যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চরমে ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে , সেই বিরোধের জেরেই শ্বশুরপক্ষ রোববার সকালে একটি এক্সকাভেটর এনে রফিউদ্দিনের বসতবাড়ির দেয়াল, কক্ষ ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে ফেলে। বাড়ি ভাঙার সময় স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে ভাঙচুরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।

বিদেশে অবস্থানরত রফিউদ্দিন দাবি করেন , পরিকল্পিতভাবে তাঁর বাড়ি ভেঙে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত মুকুল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানি ইসরাইল বলেন , ঘটনার বিষয়ে পুলিশ অবগত রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও নতুন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।