চুয়াডাঙ্গা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিলহজের প্রথম দশক : গুরুত্ব ও করণীয়

  • প্রকাশ: ০৭:৫৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • 85

সংগৃহীত ছবি

হিজরি সনের সর্বশেষ মাস জিলহজ। শরিয়তে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ মাস এটি, বিশেষ করে জিলহজের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এই দশকের রাতের শপথ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘শপথ ফজরের, শপথ ১০ রাতের।’
(সুরা : ফাজর, আয়াত : ১-২)

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) ও মুজাহিদ (রা.)সহ অনেক সাহাবি, তাবেঈ ও মুফাসসির বলেন, এখানে ‘১০ রাত’ দ্বারা জিলহজের প্রথম ১০ রাতকেই বোঝানো হয়েছে।

(তাফসিরে ইবনে কাসির : ৪/৫৩৫)

জিলহজের প্রথম ১০ দিনের ফজিলতের ব্যাপারে ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বর্ণনায় রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহর কাছে জিলহজের ১০ দিনের নেক আমলের চেয়ে বেশি প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই।

সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও এর চেয়ে উত্তম নয়? তিনি বললেন, না, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়। তবে হ্যাঁ, সেই ব্যক্তির জিহাদের চেয়ে উত্তম যে নিজের জান-মাল নিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য বের হয়েছে। অতঃপর কোনো কিছু নিয়ে ঘরে ফিরে আসেনি। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৪৩৮; বুখারি, হাদিস : ৯৬৯)

জিলহজের প্রথম দশকের আমল

নিচে বিভিন্ন হাদিসে বর্ণিত আমলগুলো সংক্ষিপ্তভাবে উল্লেখ করা হলো—

১. হজ : এ মাসের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো হজ, যা সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর ফরজ।

এর রয়েছে অনেক ফজিলত। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য হজ করল এবং অশ্লীল কথাবার্তা ও গুনাহ থেকে বিরত থাকল, সে ওই দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে হজ থেকে ফিরে আসবে, যেদিন মায়ের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল।’ (বুখারি, হাদিস : ১৫২১; মুসলিম, হাদিস : ১৩৫০)
অন্য বর্ণনায় আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘হজে মাবরুরের প্রতিদান তো জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়।’ (বুখারি, হাদিস : ১৭৭৩)

২. কোরবানি : এ মাসের আরেক গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো কোরবানি, যা নিসাবের মালিকের ওপর ওয়াজিব হয়। এটি মৌলিক ইবাদত ও শাআইরে ইসলাম তথা ইসলামের প্রতীকী বিধানাবলির অন্তর্ভুক্ত।

এর আছে বিশেষ ফজিলত। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘কোরবানির দিনের আমলগুলোর মধ্য থেকে পশু কোরবানি করার চেয়ে কোনো আমল আল্লাহ তাআলার কাছে বেশি প্রিয় নয়। কিয়ামতের দিন এই কোরবানিকে তার শিং, পশম, ক্ষুরসহ উপস্থিত করা হবে। আর কোরবানির রক্ত জমিনে পড়ার আগেই আল্লাহ তাআলার কাছে কবুল হয়ে যায়। সুতরাং তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে কোরবানি করো।’
(জামে তিরমিজি, হাদিস : ১৪৯৩)

সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি এই ইবাদত পালন করে না তার ব্যাপারে হাদিস শরিফে কঠোর ধমকি এসেছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যার কোরবানির সামর্থ্য আছে, তবু সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’ (মুসনাদে আহমদ : ২/৩২১; মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদিস : ৭৬৩৯)

৩. বেশি বেশি তাসবিহ পাঠ করা : ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলার কাছে জিলহজের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে বেশি মহৎ এবং অধিক প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং তোমরা এই দিনগুলোতে বেশি বেশি লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার এবং আলহামদু লিল্লাহ পড়ো।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৫৪৪৬)

৪. রোজা রাখা : জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখার ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া উচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখার ব্যাপারে যত্নবান ছিলেন।

(আবু দাউদ, হাদিস : ২৪৩৭)

বিশেষ করে ৯ তারিখের রোজা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আরাফার দিনের [৯ জিলহজের] রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা রাখি, তিনি আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেবেন।’ (মুসলিম, হাদিস : ১১৬২)

৫. নখ-চুল না কাটা, না ছাটা : এ ছাড়া এই দশকের একটি বিশেষ আমল হলো, জিলহজের চাঁদ ওঠা থেকে নিয়ে কোরবানি করা পর্যন্ত নখ-চুল না কাটা, না ছাঁটা। এতে একদিকে হাজি সাহেবানের সঙ্গে একরকম সাদৃশ্য প্রকাশ পায়। পাশাপাশি এর আছে বিশেষ ফজিলতও। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যখন জিলহজের চাঁদ দেখবে তখন তোমাদের মধ্যে যে কোরবানি করবে সে যেন তার চুল, নখ না কাটে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৯৭৭; জামে তিরমিজি, হাদিস : ১৫২৩)

অতএব, জিলহজ আগমনের আগেই নখ-চুল কেটে-ছেঁটে পরিপাটি হয়ে থাকা বাঞ্ছনীয়।

৬. তাকবিরে তাশরিক পড়া : আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘আর তোমরা আল্লাহকে স্মরণ করো (তাশরিকের) নির্দিষ্ট দিনগুলোতে।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২০৩)

একাধিক সাহাবা থেকে প্রমাণিত আছে যে তাঁরা জিলহজের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) তাকবির পড়তেন। তাকবিরে তাশরিক হলো ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’

জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে নিয়ে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর নারী-পুরুষ সবার জন্য একবার করে তাকবিরে তাশরিক বলা ওয়াজিব।

শেষ কথা, জিলহজের এই দিনগুলোতে ইবাদত বাড়িয়ে দিতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফিক দান করুন।

লেখক : মুফতি ও মুহাদ্দিস

জামিয়া আরাবিয়া মাখজানুল উলুম, তালতলা, মোমেনশাহী এবং

ইমাম ও খতিব, মসজিদুল আমান, গাঙ্গিনার পাড়, মোমেনশাহী

 

জনপ্রিয়

বোরহানউদ্দিনে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

জিলহজের প্রথম দশক : গুরুত্ব ও করণীয়

প্রকাশ: ০৭:৫৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

হিজরি সনের সর্বশেষ মাস জিলহজ। শরিয়তে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ মাস এটি, বিশেষ করে জিলহজের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এই দশকের রাতের শপথ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘শপথ ফজরের, শপথ ১০ রাতের।’
(সুরা : ফাজর, আয়াত : ১-২)

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) ও মুজাহিদ (রা.)সহ অনেক সাহাবি, তাবেঈ ও মুফাসসির বলেন, এখানে ‘১০ রাত’ দ্বারা জিলহজের প্রথম ১০ রাতকেই বোঝানো হয়েছে।

(তাফসিরে ইবনে কাসির : ৪/৫৩৫)

জিলহজের প্রথম ১০ দিনের ফজিলতের ব্যাপারে ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বর্ণনায় রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহর কাছে জিলহজের ১০ দিনের নেক আমলের চেয়ে বেশি প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই।

সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও এর চেয়ে উত্তম নয়? তিনি বললেন, না, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়। তবে হ্যাঁ, সেই ব্যক্তির জিহাদের চেয়ে উত্তম যে নিজের জান-মাল নিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য বের হয়েছে। অতঃপর কোনো কিছু নিয়ে ঘরে ফিরে আসেনি। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৪৩৮; বুখারি, হাদিস : ৯৬৯)

জিলহজের প্রথম দশকের আমল

নিচে বিভিন্ন হাদিসে বর্ণিত আমলগুলো সংক্ষিপ্তভাবে উল্লেখ করা হলো—

১. হজ : এ মাসের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো হজ, যা সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর ফরজ।

এর রয়েছে অনেক ফজিলত। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য হজ করল এবং অশ্লীল কথাবার্তা ও গুনাহ থেকে বিরত থাকল, সে ওই দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে হজ থেকে ফিরে আসবে, যেদিন মায়ের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল।’ (বুখারি, হাদিস : ১৫২১; মুসলিম, হাদিস : ১৩৫০)
অন্য বর্ণনায় আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘হজে মাবরুরের প্রতিদান তো জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়।’ (বুখারি, হাদিস : ১৭৭৩)

২. কোরবানি : এ মাসের আরেক গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো কোরবানি, যা নিসাবের মালিকের ওপর ওয়াজিব হয়। এটি মৌলিক ইবাদত ও শাআইরে ইসলাম তথা ইসলামের প্রতীকী বিধানাবলির অন্তর্ভুক্ত।

এর আছে বিশেষ ফজিলত। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘কোরবানির দিনের আমলগুলোর মধ্য থেকে পশু কোরবানি করার চেয়ে কোনো আমল আল্লাহ তাআলার কাছে বেশি প্রিয় নয়। কিয়ামতের দিন এই কোরবানিকে তার শিং, পশম, ক্ষুরসহ উপস্থিত করা হবে। আর কোরবানির রক্ত জমিনে পড়ার আগেই আল্লাহ তাআলার কাছে কবুল হয়ে যায়। সুতরাং তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে কোরবানি করো।’
(জামে তিরমিজি, হাদিস : ১৪৯৩)

সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি এই ইবাদত পালন করে না তার ব্যাপারে হাদিস শরিফে কঠোর ধমকি এসেছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যার কোরবানির সামর্থ্য আছে, তবু সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’ (মুসনাদে আহমদ : ২/৩২১; মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদিস : ৭৬৩৯)

৩. বেশি বেশি তাসবিহ পাঠ করা : ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলার কাছে জিলহজের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে বেশি মহৎ এবং অধিক প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং তোমরা এই দিনগুলোতে বেশি বেশি লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার এবং আলহামদু লিল্লাহ পড়ো।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৫৪৪৬)

৪. রোজা রাখা : জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখার ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া উচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখার ব্যাপারে যত্নবান ছিলেন।

(আবু দাউদ, হাদিস : ২৪৩৭)

বিশেষ করে ৯ তারিখের রোজা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আরাফার দিনের [৯ জিলহজের] রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা রাখি, তিনি আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেবেন।’ (মুসলিম, হাদিস : ১১৬২)

৫. নখ-চুল না কাটা, না ছাটা : এ ছাড়া এই দশকের একটি বিশেষ আমল হলো, জিলহজের চাঁদ ওঠা থেকে নিয়ে কোরবানি করা পর্যন্ত নখ-চুল না কাটা, না ছাঁটা। এতে একদিকে হাজি সাহেবানের সঙ্গে একরকম সাদৃশ্য প্রকাশ পায়। পাশাপাশি এর আছে বিশেষ ফজিলতও। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যখন জিলহজের চাঁদ দেখবে তখন তোমাদের মধ্যে যে কোরবানি করবে সে যেন তার চুল, নখ না কাটে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৯৭৭; জামে তিরমিজি, হাদিস : ১৫২৩)

অতএব, জিলহজ আগমনের আগেই নখ-চুল কেটে-ছেঁটে পরিপাটি হয়ে থাকা বাঞ্ছনীয়।

৬. তাকবিরে তাশরিক পড়া : আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘আর তোমরা আল্লাহকে স্মরণ করো (তাশরিকের) নির্দিষ্ট দিনগুলোতে।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২০৩)

একাধিক সাহাবা থেকে প্রমাণিত আছে যে তাঁরা জিলহজের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) তাকবির পড়তেন। তাকবিরে তাশরিক হলো ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’

জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে নিয়ে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর নারী-পুরুষ সবার জন্য একবার করে তাকবিরে তাশরিক বলা ওয়াজিব।

শেষ কথা, জিলহজের এই দিনগুলোতে ইবাদত বাড়িয়ে দিতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফিক দান করুন।

লেখক : মুফতি ও মুহাদ্দিস

জামিয়া আরাবিয়া মাখজানুল উলুম, তালতলা, মোমেনশাহী এবং

ইমাম ও খতিব, মসজিদুল আমান, গাঙ্গিনার পাড়, মোমেনশাহী