
২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা। ফাইনালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই বড় অঙ্কের প্রাইজমানি নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ফিফার নির্ধারিত পুরস্কার কাঠামো অনুযায়ী, ফাইনালে পৌঁছানোর কারণে আর্জেন্টিনার আয় নিশ্চিত হয়েছে ৪৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৪৬ কোটি টাকা। এই অর্থের মধ্যে রয়েছে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ বাবদ ১০ মিলিয়ন ডলার, প্রস্তুতি খরচের জন্য ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার এবং ফাইনালে ওঠার পুরস্কার হিসেবে ৩৩ মিলিয়ন ডলার।
তবে আগামী রোববার মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে জিতলে আর্জেন্টিনার আয় আরও বেড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে রানার্সআপের ৩৩ মিলিয়ন ডলারের পরিবর্তে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পাবে ৫০ মিলিয়ন ডলার।
শিরোপা জিতলে আর্জেন্টিনার মোট প্রাইজমানি দাঁড়াবে ৬২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা।
২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য এবার ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৮৭১ মিলিয়ন ডলার প্রাইজমানি বরাদ্দ করেছে ফিফা। ৪৮ দলের এই আসরে দলগুলোর অংশগ্রহণ ও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে এই অর্থ ভাগ করে দেওয়া হবে।
২০২৬ বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সভিত্তিক প্রাইজমানি:
- চ্যাম্পিয়ন: ৫০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬০০ কোটি টাকা)
- রানার্সআপ: ৩৩ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৯৬ কোটি টাকা)
- তৃতীয় স্থান: ২৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৪৮ কোটি টাকা)
- চতুর্থ স্থান: ২৭ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩২৪ কোটি টাকা)
- ৫ম–৮ম স্থান: ১৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২২৮ কোটি টাকা)
- ৯ম–১৬তম স্থান: ১৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৮০ কোটি টাকা)
- ১৭তম–৩২তম স্থান: ১১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৩২ কোটি টাকা)
- ৩৩তম–৪৮তম স্থান: ৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১০৮ কোটি টাকা)























