চুয়াডাঙ্গা ১২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৮ দিনে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্সে ৪৭ লাখ টাকা, মিলল বিদেশি মুদ্রাও

  • প্রকাশ: ০৭:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • 45

খাদেম ও মোতাওয়াল্লিদের কাছ থেকে দানের অর্থের হিসাব-নিকাশ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নেয়ার পর শনিবার (১১ জুলাই) দ্বিতীয়বারের মতো খোলা হয় মাজারের দানবাক্স।

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্স ১৮ দিন পর খুলে পাওয়া গেছে প্রায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা এবং কিছু বিদেশি মুদ্রা। শনিবার (১১ জুলাই) প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মাজারের তিনটি ডেগ ও ছয়টি দানবাক্স খুলে প্রায় ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ গণনা করেন।

এটি নতুন ব্যবস্থাপনার অধীনে দ্বিতীয়বার দানবাক্স খোলার ঘটনা। এর আগে গত ২২ জুন দানবাক্স খুলে ১৭ লাখ টাকার বেশি পাওয়া যায়। সেই অর্থ মাজারের নামে খোলা যৌথ ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হয়েছে।

মাজারে প্রতিদিন হাজারো ভক্ত-আশেকান জিয়ারত শেষে দানবাক্সে অর্থ প্রদান করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে দানের অর্থের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল। এ কারণে সম্প্রতি জেলা প্রশাসন দানবাক্স ও ডেগ সিলগালা করে এবং দানের অর্থের ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ নেয়। পরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে সভাপতি করে ১৩ সদস্যের মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়।

তবে নতুন করে পাওয়া এই অর্থ এখনই ব্যয় করা হবে না। কারণ, দানের অর্থ কোন কোন খাতে ব্যয় হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত নীতিমালা হয়নি। আগামী বৃহস্পতিবার ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠকে নীতিমালা অনুমোদনের পর স্বেচ্ছাসেবক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন, লঙ্গরখানার ব্যয় এবং মাজারের উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের পর উদ্বৃত্ত অর্থ মাজারের উন্নয়নমূলক কাজে কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সেটিও নীতিমালায় নির্ধারণ করা হবে।

জনপ্রিয়

জীবননগর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিবাসী, সকলের সুপরিচিত মুখ ও দীর্ঘদিনের পত্রিকা পরিবেশক রমজান ভাই আর আমাদের মাঝে নেই।

১৮ দিনে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্সে ৪৭ লাখ টাকা, মিলল বিদেশি মুদ্রাও

প্রকাশ: ০৭:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্স ১৮ দিন পর খুলে পাওয়া গেছে প্রায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা এবং কিছু বিদেশি মুদ্রা। শনিবার (১১ জুলাই) প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মাজারের তিনটি ডেগ ও ছয়টি দানবাক্স খুলে প্রায় ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ গণনা করেন।

এটি নতুন ব্যবস্থাপনার অধীনে দ্বিতীয়বার দানবাক্স খোলার ঘটনা। এর আগে গত ২২ জুন দানবাক্স খুলে ১৭ লাখ টাকার বেশি পাওয়া যায়। সেই অর্থ মাজারের নামে খোলা যৌথ ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হয়েছে।

মাজারে প্রতিদিন হাজারো ভক্ত-আশেকান জিয়ারত শেষে দানবাক্সে অর্থ প্রদান করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে দানের অর্থের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল। এ কারণে সম্প্রতি জেলা প্রশাসন দানবাক্স ও ডেগ সিলগালা করে এবং দানের অর্থের ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ নেয়। পরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে সভাপতি করে ১৩ সদস্যের মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়।

তবে নতুন করে পাওয়া এই অর্থ এখনই ব্যয় করা হবে না। কারণ, দানের অর্থ কোন কোন খাতে ব্যয় হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত নীতিমালা হয়নি। আগামী বৃহস্পতিবার ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠকে নীতিমালা অনুমোদনের পর স্বেচ্ছাসেবক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন, লঙ্গরখানার ব্যয় এবং মাজারের উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের পর উদ্বৃত্ত অর্থ মাজারের উন্নয়নমূলক কাজে কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সেটিও নীতিমালায় নির্ধারণ করা হবে।