চুয়াডাঙ্গা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৬৬ বিলিয়ন ডলার, রেমিট্যান্স প্রবাহেও ঊর্ধ্বগতি

  • প্রকাশ: ০৯:৫২:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • 68

সংগৃহীত ছবি

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৬৬৪ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৬ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার)।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম মুনসি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ (BPM6) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য বা নিট রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ হাজার ৯৬৬ দশমিক ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩১ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার)।

এদিকে, নতুন অর্থবছরের শুরুতেই প্রবাসী আয়েও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার (১ দশমিক ৫৪২ বিলিয়ন ডলার), যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ১৪ জুলাই একদিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার (১১৫ মিলিয়ন ডলার)।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স—দুই সূচকের ইতিবাচক ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

জনপ্রিয়

জীবননগরে সিজারের চার দিন পর প্রসূতির মৃত্যু, ক্লিনিক সিলগালা

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৬৬ বিলিয়ন ডলার, রেমিট্যান্স প্রবাহেও ঊর্ধ্বগতি

প্রকাশ: ০৯:৫২:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৬৬৪ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৬ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার)।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম মুনসি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ (BPM6) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য বা নিট রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ হাজার ৯৬৬ দশমিক ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩১ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার)।

এদিকে, নতুন অর্থবছরের শুরুতেই প্রবাসী আয়েও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার (১ দশমিক ৫৪২ বিলিয়ন ডলার), যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ১৪ জুলাই একদিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার (১১৫ মিলিয়ন ডলার)।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স—দুই সূচকের ইতিবাচক ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।