চুয়াডাঙ্গা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাইয়ের প্রথম ২১ দিনে দেশে এলো ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স

  • প্রকাশ: ০৯:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • 43

সংগৃহীত ছবি

চলতি বছরের জুলাই মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে ২০৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে) যার পরিমাণ প্রায় ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২১ জুলাই এক দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৫৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের জুলাই মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৯ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। সে তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় ২৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

বোরহানউদ্দিনে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

জুলাইয়ের প্রথম ২১ দিনে দেশে এলো ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স

প্রকাশ: ০৯:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

চলতি বছরের জুলাই মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে ২০৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে) যার পরিমাণ প্রায় ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২১ জুলাই এক দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৫৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের জুলাই মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৯ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। সে তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় ২৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।