স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেউ কারও বিজয় বা ভূমিকা কেড়ে নিতে চায় না, তবে সবার আগে একাত্তরকে সম্মান জানাতে হবে এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সমুন্নত রাখতে হবে। এরপরই অন্যান্য সময়কাল যেমন পঁচাত্তর, ঊনআশি, নব্বই ও চব্বিশের প্রসঙ্গ আসতে পারে।
সংবিধানের প্রস্তাবনায় একাত্তরের সঙ্গে চব্বিশকে একত্রে উপস্থাপনের প্রস্তাবের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একাত্তরের ইতিহাস কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনীয় নয়।
তিনি আরও বলেন, একটি স্বৈরাচার বা ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের জন্য যে আন্দোলন হয়েছে, তা ছিল জনদাবির মুখে সংঘটিত স্বৈরাচার পতন আন্দোলন, কিন্তু এর মাধ্যমে রাষ্ট্র নতুন করে গড়ে ওঠেনি। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই এখন প্রধান দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ভবিষ্যতে যেন কোনো স্বৈরাচার পুনরায় প্রতিষ্ঠিত না হতে পারে, সে জন্য গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা, সংসদীয় আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার কথাও তুলে ধরেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ দেশের ইতিহাস মূলত স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তীকালে গণতন্ত্র রক্ষার ধারাবাহিকতার ইতিহাস। বহুদলীয় রাজনীতি, সংসদীয় ব্যবস্থা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র চর্চার যে ধারা গড়ে উঠেছে, তা দেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
একইসঙ্গে গণতান্ত্রিক অধিকার বারবার হারিয়ে যাওয়ার পর তা পুনরুদ্ধারের ইতিহাসও তুলে ধরেন।
বক্তব্যে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা রক্ষা, একদলীয় শাসন থেকে উত্তরণ এবং পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে গণতন্ত্রের ভিত্তি পুনর্গঠনে তার ভূমিকা রয়েছে।

























