চুয়াডাঙ্গা ১১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

  • প্রকাশ: ০৮:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • 128

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়ে ১২৭ জন এবং হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১১৫ জন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত সারা দেশে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জন এবং সন্দেহজনক আরও ১৭৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এ সময় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ১৯২ জন এবং সন্দেহজনক আরও ২১ হাজার ৪৬৭ জন আক্রান্ত হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা) অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম প্রকৃপক্ষে একটি মারাত্মক ভাইরাল ডিজিজ। মায়াসলেস ভাইরাস নামের একটি ভাইরাস দ্বারা এটি ছড়ায়। টিকার মাধ্যমে এ ভাইরাসটি বহু বছর ধরে আমরা প্রতিরোধ করে আসছি। এবার একটু ব্যত্যয় ঘটতে দেখা গেল। যেখানে আগে হাম হতোই না, সেখানে এবার মহামারি আকারে দেখা গেল।

তিনি আরও বলেন, এই ভাইরাসটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে, একজন শিশু আক্রান্ত হলে অন্তত ১৬ থেকে ১৭ জন পর্যন্ত শিশু আক্রান্ত হতে পারে। হামে যদিও সরাসরি মৃত্যু ঘটে না। কিন্তু হাম প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় তার ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাচ্চা মারা যেতে পারে। তার মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের জটিলতা সৃষ্টির পাশাপাশি ভিটামিন এ কমিয়ে দেয়।

এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম উপসর্গে মারা যায় ৫ শিশু ও আক্রান্ত হয় ১ হাজার ২৭৮ জন। এ সময় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মারা যায় ঢাকা বিভাগে এবং মৃত্যু হয় বরিশাল বিভাগে।

 

জনপ্রিয়

জীবননগরে সিজারের চার দিন পর প্রসূতির মৃত্যু, ক্লিনিক সিলগালা

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়ে ১২৭ জন এবং হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১১৫ জন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত সারা দেশে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জন এবং সন্দেহজনক আরও ১৭৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এ সময় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ১৯২ জন এবং সন্দেহজনক আরও ২১ হাজার ৪৬৭ জন আক্রান্ত হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা) অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, হাম প্রকৃপক্ষে একটি মারাত্মক ভাইরাল ডিজিজ। মায়াসলেস ভাইরাস নামের একটি ভাইরাস দ্বারা এটি ছড়ায়। টিকার মাধ্যমে এ ভাইরাসটি বহু বছর ধরে আমরা প্রতিরোধ করে আসছি। এবার একটু ব্যত্যয় ঘটতে দেখা গেল। যেখানে আগে হাম হতোই না, সেখানে এবার মহামারি আকারে দেখা গেল।

তিনি আরও বলেন, এই ভাইরাসটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে, একজন শিশু আক্রান্ত হলে অন্তত ১৬ থেকে ১৭ জন পর্যন্ত শিশু আক্রান্ত হতে পারে। হামে যদিও সরাসরি মৃত্যু ঘটে না। কিন্তু হাম প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় তার ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাচ্চা মারা যেতে পারে। তার মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের জটিলতা সৃষ্টির পাশাপাশি ভিটামিন এ কমিয়ে দেয়।

এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম উপসর্গে মারা যায় ৫ শিশু ও আক্রান্ত হয় ১ হাজার ২৭৮ জন। এ সময় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মারা যায় ঢাকা বিভাগে এবং মৃত্যু হয় বরিশাল বিভাগে।