চুয়াডাঙ্গা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হোদাইদাহে হামলার অভিযোগ হুথিদের, সৌদি আরবকে ‘কঠোর জবাবের’ হুঁশিয়ারি

  • প্রকাশ: ০৯:১১:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • 87

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার মধ্যে ইয়েমেনেও নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হুথি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত সরকারের দাবি, সৌদি আরব হুথি-নিয়ন্ত্রিত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী হোদাইদাহে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনার জন্য রিয়াদকে দায়ী করে ‘কঠোর জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

শনিবার (২৫ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

হুথি-নিয়ন্ত্রিত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চালানো হামলা ‘মারাত্মক পরিণতি’ ডেকে আনবে। তাদের দাবি, হোদাইদাহকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে সৌদি আরব পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে এবং ‘উত্তেজনার জবাবে উত্তেজনা’ নীতিতে এগোচ্ছে।

হুথি-সমর্থিত আল মাসিরাহ টিভির খবরে বলা হয়েছে, হামলায় টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষের স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এছাড়া কামারান দ্বীপেও হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে অন্তত একজন নারী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, হোদাইদাহ বন্দরের আশপাশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বন্দরটিকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

লোহিত সাগর উপকূলে অবস্থিত হোদাইদাহ বন্দর হুথি-নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর ইয়েমেনে বাণিজ্যিক পণ্য ও মানবিক সহায়তার বড় অংশ এই বন্দর দিয়েই প্রবেশ করে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সাম্প্রতিক উত্তেজনার জন্য হুথিদের দায়ী করেছেন। তিনি লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হুথিদের হামলাকে ‘বেপরোয়া’ আখ্যা দিয়ে বলেন, গোষ্ঠীটির শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে জোট প্রয়োজনীয় সামরিক পদক্ষেপ চালিয়ে যাবে।

এর আগে হুথিরা লোহিত সাগরে সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করে। গোষ্ঠীটির ভাষ্য, জাহাজগুলো তাদের ঘোষিত নৌ-অবরোধ অমান্য করেছিল। ২০ জুলাই থেকে ওই অবরোধ কার্যকর রয়েছে, যা সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর জারি করা হয়। হুথিরা ওই হামলার জন্য সৌদি আরবকে দায়ী করলেও, রিয়াদ-সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া একটি ইরানি বিমান অবতরণের চেষ্টা করায় বিমানবন্দর লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছিল।

সূত্র: আল জাজিরা
জনপ্রিয়

জীবননগরে সিজারের চার দিন পর প্রসূতির মৃত্যু, ক্লিনিক সিলগালা

হোদাইদাহে হামলার অভিযোগ হুথিদের, সৌদি আরবকে ‘কঠোর জবাবের’ হুঁশিয়ারি

প্রকাশ: ০৯:১১:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার মধ্যে ইয়েমেনেও নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হুথি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত সরকারের দাবি, সৌদি আরব হুথি-নিয়ন্ত্রিত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী হোদাইদাহে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনার জন্য রিয়াদকে দায়ী করে ‘কঠোর জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

শনিবার (২৫ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

হুথি-নিয়ন্ত্রিত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চালানো হামলা ‘মারাত্মক পরিণতি’ ডেকে আনবে। তাদের দাবি, হোদাইদাহকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে সৌদি আরব পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে এবং ‘উত্তেজনার জবাবে উত্তেজনা’ নীতিতে এগোচ্ছে।

হুথি-সমর্থিত আল মাসিরাহ টিভির খবরে বলা হয়েছে, হামলায় টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষের স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এছাড়া কামারান দ্বীপেও হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে অন্তত একজন নারী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, হোদাইদাহ বন্দরের আশপাশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বন্দরটিকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

লোহিত সাগর উপকূলে অবস্থিত হোদাইদাহ বন্দর হুথি-নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর ইয়েমেনে বাণিজ্যিক পণ্য ও মানবিক সহায়তার বড় অংশ এই বন্দর দিয়েই প্রবেশ করে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সাম্প্রতিক উত্তেজনার জন্য হুথিদের দায়ী করেছেন। তিনি লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হুথিদের হামলাকে ‘বেপরোয়া’ আখ্যা দিয়ে বলেন, গোষ্ঠীটির শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে জোট প্রয়োজনীয় সামরিক পদক্ষেপ চালিয়ে যাবে।

এর আগে হুথিরা লোহিত সাগরে সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করে। গোষ্ঠীটির ভাষ্য, জাহাজগুলো তাদের ঘোষিত নৌ-অবরোধ অমান্য করেছিল। ২০ জুলাই থেকে ওই অবরোধ কার্যকর রয়েছে, যা সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর জারি করা হয়। হুথিরা ওই হামলার জন্য সৌদি আরবকে দায়ী করলেও, রিয়াদ-সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া একটি ইরানি বিমান অবতরণের চেষ্টা করায় বিমানবন্দর লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছিল।

সূত্র: আল জাজিরা