চুয়াডাঙ্গা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি ও তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু

  • প্রকাশ: ০৯:১২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • 160

সংগৃহীত ছবি

ভারতের মুম্বাইয়ের পাইধোনি এলাকায় বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পর বিষক্রিয়ায় একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মুম্বাই পুলিশ। খবর এনডিটিভির।

নিহতরা হলেন- আবদুল্লাহ ডোকাদিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী নাসরিন ডোকাদিয়া (৩৫) এবং তাঁদের দুই মেয়ে জয়নাব (১৩) ও আয়েশা (১৬)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পরিবারের সদস্যরা নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে একসঙ্গে খাবার গ্রহণ করেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাবার শেষে আত্মীয়রা নিজ নিজ বাসায় ফিরে যান। পরে দিবাগত রাত ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে পরিবারের চার সদস্য তরমুজ খান।

পরদিন রবিবার (২৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে তারা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে তীব্র বমি ও ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত মুম্বাইয়ের জেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ছোট মেয়ে জয়নাবের মৃত্যু হয়। একই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান বাবা আবদুল্লাহ ডোকাদিয়া। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা নাসরিন ও বড় মেয়ে আয়েশাও মারা যান।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জেজে মার্গ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দূষিত খাবার থেকেই এই বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে ঠিক কোন খাবার থেকে বিষক্রিয়া হয়েছে, তা জানতে তদন্ত চলছে।

এদিকে, ঝাড়খন্ডের গিরিডি জেলায় একই ধরনের আরেক ঘটনায় রাস্তার পাশের খাবার খেয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ১৮ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, দূষিত খাবার বা পানি গ্রহণের ফলে এ ধরনের বিষক্রিয়া হতে পারে। এর লক্ষণ হিসেবে বমি, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা ও বমি বমি ভাব দেখা যায়। এ ঘটনায় খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

জনপ্রিয়

ঝিনাইদহের সাহসী সাংবাদিক শারমিন আরা: সত্য ও ন্যায়ের পথে আপোষহীন এক কণ্ঠ

মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি ও তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৯:১২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের মুম্বাইয়ের পাইধোনি এলাকায় বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পর বিষক্রিয়ায় একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মুম্বাই পুলিশ। খবর এনডিটিভির।

নিহতরা হলেন- আবদুল্লাহ ডোকাদিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী নাসরিন ডোকাদিয়া (৩৫) এবং তাঁদের দুই মেয়ে জয়নাব (১৩) ও আয়েশা (১৬)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পরিবারের সদস্যরা নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে একসঙ্গে খাবার গ্রহণ করেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাবার শেষে আত্মীয়রা নিজ নিজ বাসায় ফিরে যান। পরে দিবাগত রাত ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে পরিবারের চার সদস্য তরমুজ খান।

পরদিন রবিবার (২৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে তারা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে তীব্র বমি ও ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত মুম্বাইয়ের জেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ছোট মেয়ে জয়নাবের মৃত্যু হয়। একই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান বাবা আবদুল্লাহ ডোকাদিয়া। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা নাসরিন ও বড় মেয়ে আয়েশাও মারা যান।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জেজে মার্গ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দূষিত খাবার থেকেই এই বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে ঠিক কোন খাবার থেকে বিষক্রিয়া হয়েছে, তা জানতে তদন্ত চলছে।

এদিকে, ঝাড়খন্ডের গিরিডি জেলায় একই ধরনের আরেক ঘটনায় রাস্তার পাশের খাবার খেয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ১৮ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, দূষিত খাবার বা পানি গ্রহণের ফলে এ ধরনের বিষক্রিয়া হতে পারে। এর লক্ষণ হিসেবে বমি, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা ও বমি বমি ভাব দেখা যায়। এ ঘটনায় খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।